ঘুষের টাকায় অবৈধ সম্পদে লালে লাল নায়েব আশরাফুলজামান–দুদকের তদন্ত দাবি!


নিউজ ডেস্ক প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ন /
ঘুষের টাকায় অবৈধ সম্পদে লালে লাল নায়েব আশরাফুলজামান–দুদকের তদন্ত দাবি!

বর্তমান সাতক্ষীরা ডেস্ক:সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব আশরাফুজ্জামানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একজন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বৈধ আয়ের সঙ্গে তার দৃশ্যমান সম্পদের সামঞ্জস্য না থাকায় এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তের দাবি উঠেছে।‎অভিযোগ রয়েছে, সরকারি জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে প্লট ও জমি বন্দোবস্তের আশ্বাস দিয়ে মোটা টাকার লেনদেন হয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।‎শহরে একের পর এক সম্পদ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সাতক্ষীরা শহরের বিলাসবহুল এলাকায় প্রায় ১ কোটি ২ লাখ টাকা মূল্যের একটি দুইতলা বাড়িসহ জমি ক্রয় করেছেন আশরাফুজ্জামান। একইভাবে আমতলা মোড়ে আরও একটি ভবন ও দোকানঘর কিনেছেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা।‎এছাড়া সুলতানপুর এলাকায় শশুরের নামে প্রায় ৫ শতক আমবাগান কিনে দিয়েছেন , যার মূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।‎স্থানীয়দের প্রশ্ন—সরকারি বেতনের টাকায় এত দ্রুত কীভাবে এই সম্পদের পাহাড় গড়ে উঠলো?‎বন্দোবস্তের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ‎,নওয়াবেগী বাজার এলাকায় সরকারি পেরিফেরিভুক্ত জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার কথা বলে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একটি প্রভাবশালী দালালচক্রের মাধ্যমে প্রতিটি প্লট ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রির কথাও সামনে এসেছে।‎সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে টাকার বিনিময়ে কাগজপত্র প্রস্তুত ও বন্দোবস্তের আশ্বাস দেওয়ার অভিযোগে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।দুদকের হস্তক্ষেপ চান সচেতন মহল,একজন নিম্নস্তরের সরকারি কর্মকর্তার নামে এত বিপুল সম্পদ, একাধিক স্থানে জমি ও ভবন এসব নিয়ে এখন জোরালো প্রশ্ন উঠেছে।এসব অভিযোগের বিষয়ে ভূমি নায়েব আশরাফুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি বার বার ফোনটি কেটে কেটে দেন এবং হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করলেও রিং হলেও রিসিভ না করে ডাটা অফ করে দেন।‎সচেতন নাগরিকদের দাবি-আশরাফুজ্জামানের সম্পদের উৎস অনুসন্ধান,আয়কর নথি ও ব্যাংক লেনদেন যাচাই,সরকারি জমি বন্দোবস্ত সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র তদন্ত সংশ্লিষ্ট দালাল ও সহযোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ তারা মনে করছেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সত্য উদঘাটন না করলে সরকারি ভূমি ব্যবস্থাপনায় জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।‎দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি এখন স্থানীয় পর্যায়ে জোরালো হয়ে উঠেছে।