কালিগঞ্জের বন্দকাটি ইয়াবার আতুরঘর -নেপথ্যে মাদক সম্রাট ওবায়দুল্লাহ!


নিউজ ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুলাই ২৩, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ন /
কালিগঞ্জের বন্দকাটি ইয়াবার আতুরঘর -নেপথ্যে মাদক সম্রাট ওবায়দুল্লাহ!
* প্রকাশ ইয়াবা বিক্রি ও সেবন।
* কিশোর গাং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ডাকাতি।
* মাদককারবারির বাসায় পুলিশের যাতায়াত।
* টাকা দিলে পুলিশ নিরব – দাবি ব্যবসায়ীর।
নিজস্ব প্রতিবেদক  : সর্বনাশা ইয়াবা কেড়ে নিচ্ছে মানুষের জীবন। ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে উঠতি বয়সী কিশোরদের। ইয়বার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে  কিশোর গাং তৈরি করে বাড়ি বাড়ি করছে চুরি-:ডাকাতি। চুরি ডাকাতির পরেও পুলিশ যায় না কালিগঞ্জের বন্দকাটিতে। এযেন অপরাধের সলিম জঙ্গলপুর যেখানে পুলিশ যেতে ভয় পায়।  এলাকাবাসীর দাবি পুলিশের মোটা অংঙ্কের টাকা মাসহারা দেন উপজেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ওবায়দুল্লাহ গাজী। তারা বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করতে দেখা গেছে কয়েকজন এস আই এ এসআইকে। জনগন মুখ খুললে কিশোর গাং বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হুমকি দেয়।  প্রকাশ্য ইয়াবা বিক্রি ও সেবন টেকনাফকে হার মানায়। সম্প্রতি এক সাংবাদিকদের বাসায় ডাকাতি করেছে পুলিশকে জানালে আশ্বাসে ওপর রেখেছে সাংবাদিকে।দীর্ঘ অনুসন্ধানে জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ গাজীর পার্টনার রয়েছে টেকনাফের বদির একসময়ের সহযোগী ছদ্দনাম ফেলো আজিজ। টেকনাফ সীমান্তে বদির হয়ে মানবপাচার আর ইয়াবার বড় চালান এনে সারা বাংলাদেশে সাপ্লায়ার দিত। ওবায়দুল্লাহ গাজী প্রথমে গাজা বিক্রি করতো গাজায় লাভ কম হওয়ায় সে ইয়াবা বিক্রির পথ বেঁচে নেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা ওবায়দুল্লাহর এই সিন্ডিকেটে জড়িত। ওবায়দুল্লাহর দাবি সে কর্মকর্তা একজন জজ অথবা ব্যারিষ্টার। জজের মাধ্যমে পরিচয় টেকনাফের ফেলো আজিজের সাথে। প্রথমে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা দিয়ে খুচরা বিক্রি শুরু করে। সিন্ডিকেট ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়ার ফেলো আজিজ ওবায়দুল্লাহকে লাখ পিচ ইয়াবা পাঠায় ১৫ দিন পর পর।  ওবায়দুল্লাহ গাজী এই ইয়াবা আনে একটি বিশেষ পরিবহনে। সেটা   কালিগঞ্জ ও আশাশুনি শ্যামনগরে ১৫-২০ জন খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে পাইকারি সেল করে। তার শ্যালক রয়েছে কথিত সাংবাদিক নামধারী আনারুল সে কালিগঞ্জের সাংবাদিক আনায়ার হোসেনের সহযোগী।  কালিগঞ্জ থানা পুলিশ যতবার ধরে ততবার আনোয়ার সাংবাদিককে দিয়ে কথিত সাংবাদিক আনারুল ওসিকে চাপ প্রয়োগ করায়। আমরা এ বিষয়ে আনোয়ার সাংবাদিকের কথা বললে তিনি এড়িয়ে যান। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান রয়েছে মত প্রকাশ করেন।কালিগঞ্জের বন্দকাটি সবুর মোড়ল বলেন, ওবায়দুল্লাহ গাজী একজন শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী মুদি পণ্যর মত ইয়াবা বিক্রি করে। তার সাথে পুলিশের যোগসাজশ রয়েছে বিটে যারা দায়িত্ব তার থেকে মাসহারা নেয়। এর কারণে এলাকায় চুরি ডাকাতি বেড়েছে। আমরা শান্তিতে বসবাস করতে পারছি না।একই এলাকার বাসিন্দা আকবার কবির বলেন, ওবায়দুল্লাহ মানে মাদক মাদক মানে ওবায়দুল্লাহ। তার পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। পুলিশকে জানিয়ে কোন সুরহা হয় না। এলাকায় চুরি ডাকাতি বেড়েছে আমরা অনিরাপদ। ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওবায়দুলাহ শীর্ষ ইয়াবা সম্রাটন।আমি কালিগঞ্জের ওসিকে বারবার করে বলছি কিন্তু তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না। আমি জনপ্রতিনিধি চেষ্টা করছি মাদক নির্মূলে।কালিগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন,ওবায়দুল্লাহ কে ধররা চেষ্টা চলছে। পুলিশ মাসহারা পায় এ বিষয়ে তিনি এড়িয়ে যান। তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লানের একাধিক সাংবাদিককে ধরার আশ্বস্ত করলে ও তিনি কোন অভিযান পরিচালনা করেনি।