
বিশেষ প্রতিনিধি : সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে নিজের অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বাল্যবিবাহ এবং বিয়েকে কেন্দ্র করে অভিনব কায়দায় গণচাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে ‘দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদ’-এর কথিত সম্পাদক শাহ আলমের বিরুদ্ধে। দেশের আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তার এই ধূর্ত কাণ্ড ফাঁসের পর জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।জানা গেছে, স্বঘোষিত এই সম্পাদক মেয়ের বাল্যবিবাহের আয়োজনকে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার বানিয়েছেন। বিয়ে উপলক্ষে প্রায় ৩০০টি কার্ড ছাপিয়ে তিনি জেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সরকারি চাকরিজীবী ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেন এবং কার্ড প্রতি ১০০০ টাকা করে বাধ্যতামূলক চাঁদা দাবি করেন। স্থানীয়দের মতে, এটি কোনো নিমন্ত্রণ ছিল না, বরং সাংবাদিকতার ভয় দেখিয়ে পাঠানো একটি প্রকাশ্য ‘চাঁদাবাজির নোটিশ’।সাংবাদিকতার পবিত্র পেশাকে ঢাল বানিয়ে বাল্যবিয়ে ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধের হোতা শাহ আলমকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সাতক্ষীরার সচেতন সমাজ।এখানে শেষ নাই শাহ আলমের জামাতা পুলিশের চাকরি করে একজন সরকারি চাকরিজীবী হয়ে বাল্য বিবাহ করেছেন বর্তমান সাতক্ষীরা টিম গভির আনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং সূত্র আরো জানায়, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে “সাতক্ষীরা সংবাদ” এর নামধারী সম্পাদক জেলা ডিসি, পুলিশ কর্মকর্তা কাউকে থোড়ায় কেয়ার করতোনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঢাকা এর সাতক্ষীরা জেলার স্বাক্ষী সহায়তাকারী ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সহ-সভাপতি পরিচয়ে অপরাধ চক্র গড়ে তোলে তার এই অপরাধ সহযোগীতা করতেন তৎকালীন আইজিপি অব যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল সানাউল হক। বর্তমানে পত্রিকাটি অনলাইন একটি পেজ নির্ভর। সপ্তাহে দুই,তিন দিন প্রকাশ করে। উদ্দেশ্যমূলক ভাবে সংবাদ প্রকাশ করে চাঁদাবাজির জন্য। নিয়মিত প্রকাশ করে না।এদিকে, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি পরিচয় ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঢাকার স্বাক্ষী সমন্বয়ক পরিচয়ে সাতক্ষীরা জেলা ব্যাপী নিরীহ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষদের রাজাকার আখ্যা দিয়ে শত শত মানুষের কাছ থেকে নিরব চাঁদাবাজি করেছে বিগত ১৫ বছর । আর বর্তমানে পত্রিকার মালিক হয়ে পত্রিকাকে পুঁজি করে শান্ত সাতক্ষীরা কে অশান্ত করার পায়তারা চালাচ্ছে। সে আওয়ামীলীগ কে সংগঠিত করা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পত্রিকা অফিসকে আওয়ামী লীগের অফিস হিসাবে দাঁড় করিয়েছে।অপরদিকে, দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদ নামক পত্রিকাটির ডিক্লিয়ারেশন বাতিল ও শাহ আলমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা।এব্যাপারে শাহ আলম বলেন আপনারা অনুসন্ধান করে দেখেন বলে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
আপনার মতামত লিখুন :