জ্বালানি তেল কালোবাজারি প্রধান মাধ্যম ভাড়ায় চালিত প্রাইভেট কার : এবি খানের  বিরুদ্ধে অভিযোগ !


নিউজ ডেস্ক প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৭, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ন /
জ্বালানি তেল কালোবাজারি প্রধান মাধ্যম ভাড়ায় চালিত প্রাইভেট কার : এবি খানের  বিরুদ্ধে অভিযোগ !

* এলিপিজি গ্যাসের বদলে ফুল ট্যাঙ্কি অকটেন।

* পাম্পের সাথে যোগসাজশে অকটেন  খোলা বাজারে ৩০০ টাকা লিটার।

* ভয়াবহ সিন্ডিকেটে লাঞ্জিত একাধিক সরকারি কর্মকর্তা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :চারিদিকে জ্বালানি তেলের হাহাকার দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেও মিলছে না তেল। কালোবাজারি কালো থাবায় তেল ড্রামে ভরে বিক্রি হচ্ছে খোলা বাজারে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে কালোবাজারিরা হয়ে উঠেছে আতঙ্ক। পাম্প মালিকদের সাথে যোগসাজশ করে তেল নিয়ে ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার চালকরা খোলা বাজারে ৩০০-৪০০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করছে। কিন্তু ঘন্টার ওর ঘন্টা দাড়িয়ে তেল পাচ্ছে না বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ।  তাছাড়া গ্যাসে চালিত প্রাউভেটকারগুলো পাম্প থেকে নিচ্ছে পেট্রোল অকটেন।সরজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায়,  সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন পাম্পমালিকদের সাথে যোগসাজশ রেখে তেল খুলনা থেকে তেল আসলে ট্যাঙ্কি ফুল করে নিচ্ছে প্রাইভেট চালকরা । সেই তেল লোকালয়ে গিয়ে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে রাতের আধারে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছে  ৩৫০-৪০০ টাকা দরে সাধারণ মানুষের কাছে । এমন চিত্র দেখা গেছে শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ,নূরনগর,বুড়িগোয়ালিনী,কৈখালী, কালিগঞ্জের কুশুলিয়া, পারুলগাছা,  বন্দকাটি, কৃষ্ণনগর, রতনপুর আশাশুনির কালিবাড়ী বাজার, শোভনালী, খাজরা,  বড়দল সহ বিভিন্ন স্থানে। যেসকল ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার গ্যাস অথবা ডিজেলে চলে তারা অকটেন ও পেট্রোল নিয়ে যাচ্ছে পাম্প মালিকদের সাথে কারসাজি করে।  গতকাল মঙ্গলবার সাতক্ষীরা এ বি খান পেট্রোল পাম্পে এমন ঘটনা চোখে পড়েছে।  সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নির্দেনা থাকলেও ২০০  পুলিশ, সাংবাদিক, চিকিৎসা, শিক্ষক রাত ১২ টা পর্যন্ত বৃষ্টিতে ভিজে তেল না পেয়ে ফিরে গেছে। এবি খান পেট্রোল পাম্পে দেখা গেছে গ্যাস অথবা ডিজেল চালিত প্রাইভেটকারদের ট্যাঙ্কি ফুল করে অকটেন দেওয়া হচ্ছে । পেট্রোল পাম্পের সাথে স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকাররা  কারসাজি করেছে।  তাছাড়া এসকল প্রাইভেট চালকরা পুলিশের সামনে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্জিত করেছে এই সিন্ডিকেটের প্রতিবাদ করায়।  পুলিশের নীরবতা বলে দেয় পেট্রোল পাম্প মালিকদের সাথে প্রাইভেটকার চালকদের সিন্ডিকেট কত শক্তিশালী। অনেক কর্মকর্তা ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ডিসি ৪ শ্রেণীর তেল দেওয়ার নামে প্রহসন করেছে। তার প্রশাসন তো পেট্রোল পাম্প মালিক ও প্রাইভেটকার চালকদের সিন্ডিকেট রুখতে বাধ্য। তাহলে এভাবে পরিপত্র জারি করে গুরুত্বপূর্ণ পেশার পুলিশ সাংবাদিক চিকিৎসা শিক্ষকদের অপমান করার দরকার নেই। পুলিশের সামনে সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্জিত করেছে। পাইভেটকার চালক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কালিগঞ্জের আরিফুল ইসলাম বলেন, একদল ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার চালকরা সাতক্ষীরা পাম্প মালিকদের সাথে যোগসাজশ রেখে রাতের আধারে পেট্রোল অকটেন নিয়ে আসছে। যারা গ্যাস  ডিজেলে গাড়ি চালাতো। এসকল পেট্রোল অকটেন খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে চালকরা। পরবর্তীতে খুচরা ব্যবসায়ীরা ৩৫০-৪০০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করছে।  এসকল সিন্ডিকেট সরকার না রুখতে পারে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।শ্যামনগরের আব্দুর রহমান বলেন, সংকটে ব্যবসা করছে ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার চালকরা। সাতক্ষীরা থেকে ট্যাঙ্কি ভরে পেট্রোল অকটেন নিয়ে আসছে রাতের আধারে। পরবর্তীতে সেটা ৩৫০-৪০০ টাকা লিটার দরে খোলা বাজারে বিক্রি করছে।ডিসির নির্দেশনা থাকলেও এবি খান পাম্পে তেল না পাওয়া প্রাইভেটকার চালকদের হাতে লাঞ্জিত এক কর্মকর্তা বলেন, দুপুর থেকে সাতক্ষীরা এবিখান পাম্পে দাড়িয়ে আছি। আমাদের বলা হয়েছে ৪ জন শ্রেণীর জরুরি সেবা তেল দেওয়া হবে।  সেই লাইনে দাড়িয়ে দেখলাম এবি খান পাম্পে কিছু দালাল অকটেন দিচ্ছে ট্যাঙ্কি ফুল করে  ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটচালকদের। বছরের পর বছর যারা গ্যাস আর ডিজেলে চলে আসছে। জরুরী সেবা সাধারণ মানুষের তেল সরবারহ না করে প্রাইভেরকারদের দেওয়া হচ্ছে।  এসকল বিষয় আমরা একাধিক ডাক্তার শিক্ষক সাংবাদিক প্রতিবাদ করলে সিন্ডিকেটের দালাল ও ভাড়ায় চালিত প্রাইভেট চালরা এসে অনেক সরকারি কর্মকর্তার গালিগালাজ ও জামার কলার ধরে হুমকি দেয়।  পরে তেল সব প্রাইভেটকার চালকদের দেওয়ায় রাত ১২ টা পর্যন্ত বৃষ্টি বজ্রপাত অপেক্ষা করে তেল পায় নি।পাম্প মালিকরা তেল নেই বলে পাম্প বন্ধ ঘোষণা করে নাটকীয় ভাবে।এবিষয়ে এনডিসি বলেন, বিষয় টা আমরা জানি না। এধরনের সিন্ডিকেটের কারণে যদি সাধারণ মানুষ ও জরুরী সেবা তেল না পায়। তাহলে আমরা এবিখান ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।