নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ প্রকৌশলী (বৈদ্যুতিক) মো: ফিরোজ আলীর বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে কতৃপক্ষ। ঠিকাদারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নেমেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। সে বিগত ৫ বছর ধরে সাতক্ষীরায় দায়িত্বে পালনের সুবাদে লক্ষ লক্ষ টাকা অনিয়ম করেছে। বিভিন্ন ঠিকাদার থেকে কমিশনের ভিত্তিতে টাকা নিয়ে কাজ সঠিকভাবে বুঝে না নিয়ে কার্যদেশ সমাপ্তির পত্র দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে অনেক প্রকল্পে নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করলেও ঠিকাদার থেকে টাকার বিনিময়ে বৈধতা দিয়েছে। বিভিন্ন সময় বদলিও বিষয় সামনে আসলে টাকা দিয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে ফেলে। এভাবে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে লুটপাট করে চলছে গণপূর্তের উপ প্রকৌশলী ফিরোজ।
ঠিকাদার ইউনুস অভিযুক্ত উপ প্রকৌশলী ফিরোজ আলীর গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে বাদী হয়ে ৩০ শে নভেম্বর ২০২৫ সালে আবেদন করে অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগে বলেন বিগত ৪থেকে ৫ বছর যাবত বৈদ্যুতিক মেরামত ও নির্মাণ কাজ হয়েছে সবগুলো ঠিকাদারদের ভয় দেখিয়ে লামছাম কিছু টাকা দিয়ে ঐ কাজগুলো নিজেই অত্র দপ্তরের আউট সোসিং ও ভাউচার কর্মচারীদের দিয়ে অন্ত্যত নিম্ন মানের মালমাল দিয়ে সম্পূর্ণ করে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করেছে। ঠিকাদার নিজে করতে চাইলে করতে দেওয়া হয় না। এমনিকি ওই সমস্থ কোন কাজের চাহিদাপত্র থাকে না। ফলে হস্তান্তর পত্র নিজেই তৈরি করে জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে আসে ও সে রিসিভ করে। ভোমরা ও সদর কাষ্টমস এর বহি বৈদুতিক ৪ কোটি টাকার কাজ জামালপুর বিথি কনস্ট্রাকশনের নাম করে অন্ত্যত নিম্ন মানের মালামাল দিয়ে সম্পূর্ণ করে। ফলে যে কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ২০২৩-২০২৪ ও ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের ডিসি পার্কের বৈদুতিক সংস্কার ও সিসি টিভি স্থাপন কাজ, ডিসি অফিসের রেকর্ড রুম, ও রি আরটিএ অফিসের বৈদুতিক মেরামত, গণপূর্ত ৩য় শ্রেনীর বৈদুতিক মেরামত কাজ না করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।
তাছাড়া সাতক্ষীরা গণপূর্ত অধিদপ্তরের পুরাতন সচল ১০০ সিসি ও ৮০ সিসি ৩ টা মোটরসাইকেল অকোজে দেখিয়ে নিলাম না করে বিক্রি করছে ।
অভিযোগের বিষয়ে সাতক্ষীরা গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ প্রকৌশলী ফিরোজ আলী বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে সেরা তদন্ত এসেছে এটা সত্য। কিন্তু একটা মহল আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে সেটা হয়রানি মূলক। তদন্ত হোক সত্যতা বের হোক।
আপনার মতামত লিখুন :