
বর্তমান সাতক্ষীরা ডেস্ক:পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে না হতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা, আর সেই অস্থিরতার পেছনে সক্রিয় সিন্ডিকেট চক্র এই অভিযোগ নিয়ে গতরাতে বর্তমান সাতক্ষীরা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরদিনই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে সাতক্ষীরা শহরের বড় বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযানে সহযোগিতা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।গত কয়েকদিন ধরে চাল, ডাল, তেল, ছোলা, চিনি, খেজুরসহ রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক অভিযান বাজারজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।অভিযান শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই বড় বাজারের একাধিক পাইকারি ও খুচরা দোকানে মূল্যতালিকা যাচাই, ক্রয় রসিদ পরীক্ষা এবং মজুত পণ্যের হিসাব নেওয়া হয়। যেসব দোকানে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রমজান এলেই কেন একই চিত্র এই প্রশ্ন এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। প্রতি বছরই বাজারে সিন্ডিকেটের কারসাজির অভিযোগ উঠলেও কার্যকর নজরদারির ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। স্থানীয়রা মনে করছেন, কেবল তাৎক্ষণিক অভিযান নয়, নিয়মিত তদারকি ও কঠোর শাস্তিই পারে বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে।প্রশাসনের উপস্থিতিতে বড় বাজারে স্বস্তি ফিরলেও ব্যবসায়ী মহলে তৈরি হয়েছে চাপা অস্বস্তি। তবে ক্রেতাদের প্রত্যাশাএই অভিযান যেন একদিনের আনুষ্ঠানিকতা হয়ে না থাকে; বরং রমজানজুড়ে বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকে।রমজানের শুরুতেই বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রশাসনের এই সক্রিয়তা কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
আপনার মতামত লিখুন :