কলারোয়া ভূমি অফিসের প্রসেস সার্ভেয়ার গফুরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ কাশেমপুরবাসী: জমি দখল মারপিট! 


নিউজ ডেস্ক প্রকাশের সময় : মার্চ ১০, ২০২৬, ১:২২ পূর্বাহ্ন /
কলারোয়া ভূমি অফিসের প্রসেস সার্ভেয়ার গফুরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ কাশেমপুরবাসী: জমি দখল মারপিট! 

বিশেষ প্রতিনিধি :সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা ভূমি অফিসের প্রসেস সার্ভেয়ার আব্দুল গফুর বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।  অনিয়ম দুর্নীতি ঘুষ বাণিজ্য অপরদিকে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়ে জমি আত্মসাৎ করেছে। ভুক্তভোগীরা বলছে সরকারি চাকরির প্রভাব খাটিয়ে আব্দুল গফুর কাশেমপুর এলাকায় নিরীহ মানুষের জমি আত্মসাৎ, মারপিটসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। বিভিন্ন মানুষকে চাকরি দেওয়ার নামে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, শহরের কাশেমপুর এলাকায় আল মামুন নামের একব্যক্তির জমি দখল করেছে গফুর । জমিদখলের সাথে সাথে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাশী নিয়ে মামুনের দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। পরবর্তীতে মামুনের বাড়ি ঢুকে মা ভাইদের মারপিট করে। বিভিন্ন ধরনের হয়রানি মামলা দিয়ে বাড়িছাড়া করেছে অনেকের। আব্দুল গফুর একজন নেক্ক্যারজনক অপরাধী সে নিজের মাকে বাদীকরে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়েছে ভুক্তভোগী মামুন তার বৃদ্ধ পিতা ও দুই ভাইয়ের নামে। পরবর্তীতে মামালা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নামে দেড় লক্ষ টাকা দাবি করে মামুনের পরিবারের কাছে।
গফুর এলাকার ডিসির আস্থাভাজন হিসাবে পরিচয় দেয়। বিভিন্ন মানুষকে বলে বেলায় ডিসি তার কথা শোনে যেকোন কাজ   ডিসির মাধ্যমে করিয়ে নেওয়া যাবে। গফুর স্বল্প বেতনে চাকরি করলেও রাতারাতি কোটিপতি বনে গিয়ে বিলাশবহুল বাড়ি,জমিজমা ক্রয় ,ব্যাংক ব্যালেন্স ফুলেফেঁপে উঠছে। গফুরের জেলা জুড়ে রয়েছে সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট। গফুর হল এই সিন্ডিকেটের মহারাজা বিভিন্ন তদবির, ঝামেলাযুক্ত ফাইল টাকার বিনিময়ে সমাধান করা তার প্রধান কাজ।
মহারাজা গফুরের হুমকে পাটকেলঘাটায় চলেছিল দুর্নীতির লুটপাট। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী গফুরের ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ তার পূর্বের ও বর্তমান কর্মস্থগুলোতে। চাকরি জীবনে যেখানে গিয়েছে সেখানে গড়ে তুলেছিল ঘুষের সিন্ডিকেট।ভুক্তভোগী আল মামুন বলেন,গফুর এলাকায় সরকারি চাকরির প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মানুষের ওপর অত্যাচার করে।বিভিন্ন মানুষের চাকরির নামে  টাকা পয়সা নিয়েছে। এলাকায় সে ডিসি অফিসের নাম ভাঙ্গিয়ে চলে।সে তারা মাকে দিয়ে আমার নামে ধর্ষণ মামলা দিয়েছে আমরা গফুরের বিচার চায়।ভুক্তভোগী মামুনের বড়ভাই সাবেক সেনাসদস্য বলেন,গফুর কাশেমপুর এলাকায় ভাইরাস।সে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করে সরকারি চাকরির সুবাদে। সে বলে সরকারি চাকরিজীবীর সাথে কিছু ঘটলে নাকি মাললা হলে জামিন দেয় না আদালত।মানুষ সেই ভয়ে কিছু বলতে সাহস পায় না। সরকারি চাকরির প্রভাবে আমাদের জমি আত্মসাৎ করেছে জবর দখল করে রেখেছে। সে বিভিন্ন মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।একই এলাকার ভুক্তভোগী রোমেলা খাতুন বলেন, গফুর ও তার ভাই মিলে আমার গলায় দা ধরে মারপিট করেছে আমার জমিও দখল করে নিয়েছে। সে সরকারি চাকরি করে তাকে কিছু বললে পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে সেই ভয় দেখায় আমাদের। আমরা এলাকার মানুষ গফুরের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে চাই।নাগরিক নেতা আবুল হোসেন বলেন, সরকারি কর্মচারীদের এমন আচারণ আইন লংঘন। গফুর বিষয়ে কি বলব সে তো নিজেকে মহারাজা মনে করে। ডিসি অফিসে নাম ভাঙ্গিয়ে চলে বিভিন্ন মানুষের থেকে টাকা নিয়েছে। গফুরের ভূমি অফিসগুলোতে একটি দালাল সিন্ডিকেট রয়েছে বড় বড় তদবির করে বিভিন্ন ঝামেলাপূর্ণ জমির। গফুরের মত কর্মচারীদেী দৃষ্টিান্ত মূলক শাস্তি দেওয়া হোক যেন সরকারি চাকরির প্রভাবে মানুষকে হয়রানি করতে না পারে।অভিযুক্ত প্রসেস সার্ভেয়ার গফুরের কাছে ঘুষ বাণিজ্যর বিষয়ে জানতে গেলে বলেন, আমার ঘুষ লেদেনের কোনো ভিডিও আছে আপনার কাছে। আমারও অনেক সাংবাদিক পরিচিত আছে। আপনি নিউজ করে কিছু করতে পারলে করেন। মামুনের পরিবারের অভিযোগ পুরোপুরি সত্য না। ঘন ঘন বদলির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।