
চিফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ঝাউডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এর বাড়ীর কেয়ারটেকার শ্যালক মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে। শনিবার ১০ই অক্টোবর বিকালে ওয়ারিয়া গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ীর ছাদের উপরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন শিশুটির পরিবার। অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন একই ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামের খা বাড়ির মৃত অসিদুর রহমান খান চৌধুরীর ছেলে। ঘটনা জানাজানির পর থেকে অভিযুক্ত মোশাররফ আত্মগোপনে রয়েছে।
ভিকটিম শিশুটির পরিবার বলেন, শনিবার বিকালে চেয়ারম্যান রফিকুলের বাড়ীর পাশেই শিশুটি খেলা করছিল। মোশাররফ তাকে ড্রাগন দেওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে ডেকে নিয়ে বাড়ীর ছাদে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেছে। শিশুটি মারাত্মক অসুস্থ রয়েছে।চেয়ারম্যানের শ্যালক তার বাড়ীর কেয়ারটেকার বলে তার যদি বিচার না হয়, তাহলে আমরা নিজেই আইন হাতে তুলে নিব। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে ঝাউডাঙ্গা ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার বিষয়ে ভিকটিমের পরিবার আমাকে কিছুই জানাইনি। লোকমুখে জানার পর আমার বাড়ির সবগুলো সিসি ক্যামেরা চেক দিয়েও তেমন কোনো আলামত পাইনি। চাইলে আপনারা ক্যামেরা চেক দিয়ে দেখতে পারেন। তাছাড়া মোশাররফ যদি অপরাধী হয়ে থাকে তার শাস্তি আমিও চাই। এঘটনায় সাতক্ষীরা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে খবর পাওয়ার পরপরই বিষয়টির রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ফোর্স কাজ করছে।
আপনার মতামত লিখুন :