
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গায় প্রথম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত আসামী মোশারফ হোসেন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে জামিন না’মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহষ্পতিবার ১৫ই অক্টোবর সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস ম-ল আসামীপক্ষের আইনজীবীর জামিন আবেদন শুনানী শেষে এ আদেশ দেন। আসামী মোশারফ হোসেন (৫৫) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের আছিদুর রহমান খান চৌধুরীর ছেলে।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, প্রথম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী মোশারফ হোসেন বৃহষ্পতিবার তার আইনজীবী শফিউল ইসলাম শফির মাধ্যমে আদালতে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানী শেষে বিচারক বিলাস কুমার ম-ল তার জামিন আবেদন না’মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাকে বিকেলে কারাগারে পাঠনো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, স্বামী তালাক দেওয়ায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের এক নারী একমাত্র সন্তানকে দাদীর কাছে রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে তার মেয়ে দাদী ও চাচীর কাছে থেকে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতো। পাথরঘাটার মোশারফ হোসেন ওয়ারিয়া গ্রামে তার দুলা ভাইয়ের বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো। গত ১০ অক্টোবর বিকেলের দিকে বাদীর মেয়ে ঐ বাড়ির পাশে কয়েকজন বন্ধুর সাথে খেলতে যায়। সেখান থেকে মোশারফ তাকে খাবার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে দাদী ও চাচীকে জানায়।
এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদি হয়ে মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০ সালের সংশোধিত ২০০৩ এর ৯(১) ধারায় থানায় মোশারফ হোসেনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
আপনার মতামত লিখুন :