
সাতক্ষীরার জেলার আশাশুনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নাটানা গ্রামের বাসিন্দা সরস্বতী শীল। সরস্বতী শীলের স্বামী নরেন শীল ব্রোইন ক্যান্সারের আক্রান্ত হয়ে, দীর্ঘ ১১ মাস পর ২০২১ সালের ৭ই জুলাই ইহলোক ছেড়ে পরলোক গমন করেন। ৫ শতক বসত ভিটায় ছিলো তার একমাত্র সম্বল।পাঁচ বছরে বিধবা ভাতার কার্ড না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভোগান্তিতে পড়েছে একটি অসহায় পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য তপন কুমার সরকার বিভিন্ন সময় নানা অজুহাত দেখিয়ে তাঁদের আশ্বস্ত করলেও এখনো কার্ডের ব্যবস্থা হয়নি।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তাঁরা দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে বিধবা ভাতার কার্ডের জন্য যোগাযোগ করে আসছেন। প্রতিবারই তাঁদের বলা হয়েছে, কার্ডের কাজ হয়ে গেছে বা হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে এখনো কার্ডটি হাতে পাননি তাঁরা।
নাটানার গ্রামে অনেকের বিধবা ভাতার কার্ড করেছে টাকার বিনিময়ে। যেমন শান্তু মল্লিকের স্ত্রী ,রামপদ গোলদার স্ত্রী এবং ভীম গোলদারের স্ত্রী। এ ছাড়া কার্ড করে দেওয়ার জন্য ৪ হাজার টাকা চাওয়ার অভিযোগও করেছে পরিবারটি। তাঁদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস পাওয়ার পরও কেন সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
পরিবারটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগটির সুষ্ঠু তদন্ত, বিধবা ভাতার আবেদন কোন পর্যায়ে রয়েছে তা যাচাই এবং যোগ্যতা অনুযায়ী সরস্বতী শীলের বিধবা ভাতা পাওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে।
সরকারি ভাতার মতো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। তবে ইউপি সদস্য তপন কুমার সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো যাচাই করা প্রয়োজন।
সরস্বতী শীলের বিধবা ভাতার কার্ডের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক এবং অনিয়ম এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
আপনার মতামত লিখুন :