পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচিতি:
বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে তিনি বিশ্বাসী। ছাত্র জীবনে তিনি ১১নং পদ্দপুকুর ইউনিয়ন ছাত্র দলের আহবায়ক ছিলেন। শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য পদ লাভ করেন।
পরবর্তীতে শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের কলেজ শাখার সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন । দীর্ঘদিন শ্যামনগর থানা সদরে অবস্থিত শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ-এর সভাপতি ও শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিকসন খানের দাদা-মরহুম নূর মোহাম্মাদ খান (খান সাহেব) ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় সফল প্রাইমারী শিক্ষক ছিলেন, প্রধান শিক্ষক।
নিকসন খানের নানা-মরহুম শেখ ছফেদ আলী, খুলনা জেলার সর্ব দক্ষিনে সুন্দরবনের কোল ঘেষে অবস্থিত কয়রা পুলিশ ষ্টেশন (থানা) প্রতিষ্ঠার অন্যতম রুপকার ছিলেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবদ্দশায় কয়রা থানা বি,এন,পি,র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি গ্রাম সরকার প্রধানও ছিলেন।
নিকসন খানের পিতা জনাব, খান আব্দুল হালিম পর্যায় ক্রমে শ্যামনগর থানা বি,এন,পির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জেলা বি,এন,পির সদস্যও ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য, খুলনা বিভাগীয় ফেডারেশন-এর প্রধান সমন্বয়কারী দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলা ফেডারেশন সভাপতি এবং শ্যামনগর উপজেলা জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের যুগ্ম আহবায়ক-এর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি চর চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন । ২০১৫ সালে তিনি শ্যামনগর সরকারি মহসিন কলেজ থেকে অবসর গ্রহন করেন।
নিকসন খানের আম্মা-মেহেরুন হালিম তরি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, শ্যামনগর উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদিকা ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা দলের সদস্যও ছিলেন। বর্তমানে তিনি চর-চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসাবে কর্মরত আছেন।
নিকসন খানের ‘চাচা মরহুম আব্দুল্যাহ-আল-মামুন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন কালে রিজভী-ইলিয়াস কমিটির ছাত্র নেতা ছিলেন। বিশ্ব বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসাবে সার্ক ভুক্ত দেশ পাকিস্তান, ভারত, নেপাল ও ভূটান সফর করার কৃতিত্ব অর্জন করেন। তিনি কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুতের সহকারি মহা-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) হিসাবে চাকুরী করেছেন।
নিকসন খানের চাচা এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম খান, অ্যাপিলেট ডিভিশন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। সহকারি এ্যাটনি জেনারেল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
সাধারণ সম্পাদক, বৃহত্তর খুলনা আইনজীবী সমিতি, ঢাকা। বর্তমানে সহ-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, কেন্দ্রীয় কমিটি।
সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় কমিটি।
সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি। সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি। সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সাবেক সদস্য, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম,সুপ্রিম কোর্ট ।
নিকসন খানের চাচা ওবায়দুল্লাহ আল মাসুদ সাবেক সহ-সভাপতি দৌলতপুর বিএল কলেজ ছাত্রদল। বর্তমান এডি সমাজসেবা অধিদপ্তর।
নিকসন খানের ছোট চাচা শরিফুল হাসান কচি সাবেক সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল খুলনা দৌলতপুর বি,এল কলেজ শাখা। বর্তমান ইংলিশ প্রভাষক মিরপুর রুপনগর সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ।
বর্তমানে নিকসন খাঁন সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী নাগরিক দলের সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের সাতক্ষীরা জেলার যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মানবিক সমাজ গড়ার প্রত্যয়:
রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তিনি একজন সাংবাদিক পেশায় নিয়োজিত। সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে তিনি দেশ ও জাতির সেবা করে যাচ্ছেন।
ইতিমধ্যে, এলাকায় সমাজসেবায় তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, অবহেলিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন সহ যুগান্তকারী কল্যাণমূলক কার্যক্রমে বিভিন্ন ধরনের বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তিনি শ্যামনগর উপজেলায় কোনো জনপ্রতিনিধি চেয়ারম্যান বা সংসদ সদস্য না হয়েও, পদ্মপুকুর ইউনিয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত, অবকাঠামো সংস্কার ও একাডেমী ভবন নির্মাণ, মসজিদ, মাদ্রাস, মন্দির ও গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে তিনি নিজ উদ্যোগে, প্রায় ২০ কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন। যার অধিকাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং কিছু কাজ চলমান রয়েছে। ইতিপূর্বে এলাকার বিভিন্ন অসুস্থ মানুষের সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে অর্থ অনুদানের ব্যবস্থা করেছেন।
সমাজসেবা রূপকল্প :
১. ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়ন এবং গাবুরা ইউনিয়নের মানুষের সুবিধার্থে আশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুৎ লাইন কেটে শ্যামনগরের মধ্যে ঢুকানো ঘাবড়া এবং পদ্মপুকুর ২ ইউনিয়ান মিলে একটি বিদ্যুৎ অফিস করার জন্য বিদ্যুৎ ডিপার্টমেন্টের ডিজিএম এজিএম সহ কয়েকজন অফিসার কে নিয়ে পাতাখালি নিকসন খানের বাসায় খাওয়া দাওয়া ও পরবর্তী অফিসের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা করে দেওয়া হয়।
২. আমজাদ চেয়ারম্যানের বাড়ির দক্ষিণ পাশে অবস্থিত পাখিমারা আমিনিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা। দীর্ঘ ১৯ বছর পরে নিকসন খাঁন এমপিওভুক্ত করে দিয়েছেন। যার ফলে অনেক শিক্ষিত বেকার ছেলে মেয়েরা তাদের কর্মসংস্থান লাভ করেছেন। নিকসন খানের মাধ্যমে উক্ত মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করে দেওয়ার সুবাদে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত সকল শিক্ষক, শিক্ষিকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতনের টাকা দিয়ে প্রায় ২৫ টা পরিবার জীবন জীবিকায় শান্তিপূর্ণ ভাব জীবনযাত্রা করছেন।
৩. সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও শিক্ষামন্ত্রীর সাথে কথা বলে তিনি: ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে পদ্মপুকুর ইউনিয়নে পাখিমারা আমিনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় একাডেমী ভবন নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
৪. পাতা খালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমী ভবন নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৫০ লক্ষ্য টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন। যার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
৫.এর আগে ,পাতাখালী ব্রিজ মোড় সংলগ্ন জামে মসজিদ উন্নয়নের জন্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
৬. বন্যতোলা মসজিদের জন্য ১ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
৭. ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পাতাখালী ফাজিল মাদ্রাসার জন্য ২০ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
৮. গড়কুমারপুর কেন্দ্রীয় মসজিদের জন্য ৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
৯. ৪৪ নং গড়কুমারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়নের জন্য ২ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
১০. পরবর্তীতে একই ৪৪ নং গড়কুমারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারির জন্য ৩১ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন। যার কাজ চলমান।
১১. ৪৫ নং খুঁটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন ।
১২. পরবর্তীতে ৪৫ নং খুঁটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারির জন্য সরকারি ২৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করিয়েছেন।যার কাজ চলমান।
১৩. ৬৭ নং চন্ডিপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়নের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করিয়েছেন।
১৪. ১৪৫ নং উত্তর ঝাপা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সরকারি ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করিয়েছেন।
১৫. ১৪৫ নং উত্তর ঝাপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ কোটি ২৪ লক্ষ টাকার ভবন নির্মাণ যা পার্মানেন্ট ড্রপ ছিল সেটা ছুটিয়ে উক্ত সরকারি টাকা বরাদ্দ দিয়ে ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করিয়েছেন।
১৬. জামায়াত ইসলামীর চেয়ারম্যান প্রার্থী মিলন মাওলানার বাড়ি সংলগ্ন , ১১৪ নং বাইনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি ১ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করিয়েছেন।
১৭. ১৭৯ নং চরচন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করিয়েছেন।
১৮. ১৭৯ নং চরচন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইমারজেন্সি এন্ড এডুকেশন ফান্ড থেকে ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করিয়েছেন।
১৯. পরবর্তীতে ১৭৯ নং চরচন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবারো ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২০. ১৭৯ নং চারচন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারির জন্য ১৭ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২১. ৪৬ নং পাতাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাউন্ডারি জন্য ২৬ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২২. ৮৩ নং পশ্চিম পাতাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (অমল চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন ) বাউন্ডারি প্রাচীরের জন্য ২৬ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২৩. কামালকাটি মন্দিরের উন্নয়নের জন্য ৩ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২৪. পাতাখালি গাজীপাড়া ঈদগাহ ময়দান উন্নয়নের জন্য ৩ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২৫. চন্ডিপুর গাউসুল আজম জামে মসজিদ উন্নয়নের জন ৩ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২৬. শ্যামনগর ফুলতলায় কেন্দ্রীয় মাদ্রাসা জামে মসজিদ উন্নয়নের জন্য ৩ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২৭. শ্যামনগর ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট নিলিমিত্রী মোড় গাজী বাড়ি বাইতুলা আমান জামে মসজিদে ২ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২৮. শ্যামনগর ফুলতলায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় মাদ্রাসা উন্নয়নের জন্য ২০ লক্ষ টাকা সরকারি বরাদ্দ করিয়েছেন।
২৯.চন্ডিপুর নদীর ধার গুচ্ছগ্রাম আবাসন প্রকল্পে বিদ্যুৎ লাইন অনুমোদন করিয়েছেন। ইতিমধ্যে সেখানে ৩২ টা মিটারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
৩০.পাখিমারা টু চৌদ্দরশী কিয়ার রাস্তাটি মডেল স্কুল পর্যন্ত উনি চেষ্টা করে পাকা করিয়েছেন। তিনি বলেন,বাকি কাজের জন্য চেষ্টা করছেন দ্রুত হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।
এছাড়াও আরো ২০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার ও একাডেমী ভবন নির্মাণে তিনি উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমী ভবন নির্মাণের জন্য ৩ কোটি টাকা সরাসরি বরাদ্দের অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। নিকসন খান জানান, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কারের বরাদ্দ পাওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ সফলতা অর্জন হবে।
নিকসন খান বলেন, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা যুবসমাজকে কর্মসংস্থান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নে কেয়ারের রাস্তা ও গ্রামীণ সড়ক পাকাকরণ জন্য উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
পদ্মপুকুর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানি সংকট নিরসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় কলেজ-হাসপাতাল নির্মাণ, সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা। ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিককে সমান মর্যাদা দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য।
ইউনিয়ন বাসীর ব্যক্ত ও প্রত্যাশা :
একটি আদর্শ , উন্নত ও মডেল ইউনিয়ন পরিষদ রাতারাতি গড়ে ওঠেনা। এর জন্য প্রয়োজন একজন দূরদর্শী, সৎ, দক্ষ এবং সেবাপরায়ণ চেয়ারম্যান। একটি আদর্শ ইউনিয়ন পরিষদের মূল ভিত্তি হলো সততা, স্বচ্ছতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। বিগত দিনগুলোতে স্থানীয় সরকারের নানা স্তরে যে দুর্নীতির চিত্র আমরা দেখে আসছি, তা থেকে মুক্তি পেতে হলে, পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে নিকসন খানের বিকল্প আর কেউ নেই। মডেল ইউনিয়ন পরিষদ কোনো কাল্পনিক ধারণা নয়, বরং সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব। একজন সেবাপরায়ণ ও আধুনিক মনস্ক চেয়ারম্যানই পারেন একটি অবহেলিত জনপদকে উন্নত ও আদর্শ ইউনিয়নে রূপান্তর করতে। আসন্ন দিনগুলোতে গ্রামীণ জনপদের মানুষ নিকসন খানের নেতৃত্বকেই বেছে নেবে- এটাই প্রত্যাশা।
আপনার মতামত লিখুন :