উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার ঘুষ,দূর্ণীতি ও অনিয়ম চরমে, দু’মাসে ২০ লাখ টাকা ঘুষ আদায়
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন /
০

বর্তমান সাতক্ষীরা ডেস্ক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সমবায় করমকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ উঠেছে। ঠিকমত অফিস না করা, অফিস চলাকালীন সময়ে বাড়িতে ও বিনোদন স্পটে সময় কাটানো, লাইসেন্স প্রদানে বিপুল অর্থ বাণিজ্যসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে সমবায় কর্মকর্তা মো: মুশিদ আলম নিজেকে একটি বিশেষ দলের কর্মী পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।এছাড়াও তার বিরুদ্ধে উপজেলা কৃষি অফসের কেনাকাটায় দূর্নীতি, দূর্ণীতির টাকায় অঢেল সম্পদের মালিকবনে যাওয়া এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়েও তিনি কটুক্তি করে থাকেন।সূত্র জানায়, মো: মুশিদ আলম চলতি বছরের ৮ এপ্রিল সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তিনি বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। উপজেলার ১৪৭ সমবায় সমিতি থেকে নিয়মিত ঘুষ গ্রহণ করে থাকেন। জুন মাসের এবারের অডিটে সমিতির কতিপয় নেতা নামধারি দালালের মাধ্যমে ও নিজে সরাসরি কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। ঘুষের টাকায় তিনি সাতক্ষীরা ও নিজের গ্রামের বাড়ি আশাশুনিতে গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ। নামে বেনামে, স্ত্রী সন্তান এমনকি শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজনদের নামে রেখেছেন অঢেল সম্পদ, ব্যাংক, ব্যালেন্স। তার আয় বহির্ভূত সম্পদ কিভাবে এলো। তদন্ত করলেই তার সম্পদের সঠিক চিত্র বেরিয়ে আসবে। সাতক্ষীরারসচেতন মহল সমবায় কর্মকর্তার ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।এদিকে সময় কর্মকর্তা হওয়ায় তিনি নিজে তারএলাকায় দাপিয়ে বেড়ান। তার ভয়ে এলাকার কেউ তার বিরুদ্ধে সত্য বলতে সাহস পায় না। এলাকার ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। আশাশুনি এলাকার শাহনাওয়াজ জানান, মুর্শিদ ভাই আমাদের সামনে বেড়ে উঠেছেন। বাবার তেমন কিছু ছিল না। এখন আমরা গ্রামে বসে শুনি সে কোটি কোটি টাকার মালিক।এ ব্যাপারে সমবায় কর্মকর্তা মোঃ মুর্শিদ আলম তার বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, চাকুরী জীবনের শুরু থেকে আমি ও আমার ভাই একত্রে ৯০ হাজার টাকা কাঠা জমি ক্রয় করি। পরে আমরা বাড়ি তৈরি করি। চার তলা বাড়ি আমার একার না। আমাদের গ্রামে সম্পদ আছে পৈত্রিক।
আপনার মতামত লিখুন :