চলবে চাকা, ফিরবে স্বাবলম্বিতা—মোল্লাহাটে ৫০ ভ্যান ও ৫০ হুইলচেয়ার বিতরণ


News Desk (S) প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২৭, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ন /
চলবে চাকা, ফিরবে স্বাবলম্বিতা—মোল্লাহাটে ৫০ ভ্যান ও ৫০ হুইলচেয়ার বিতরণ
রায়হান শেখ, মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোল্লাহাটে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের চলাচলের সুবিধা এবং অসচ্ছল মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৫০টি হুইলচেয়ার ও ৫০টি পায়েচালিত ভ্যান বিতরণ করা হয়েছে।
গরিব ও এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় মোল্লাহাট কেআর কলেজ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব হুইলচেয়ার ও ভ্যান বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন গরিব ও এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মাওলানা শেখ ছালেহ আহমদ হামিদী, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. কামাল উদ্দীন ও মহাসচিব মো. আক্তারুজ্জামান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মোল্লাহাট উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শেখ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মো. আনিসুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। শুধু দান নয়, মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। পায়েচালিত ভ্যান পাওয়া অসচ্ছল মানুষগুলো যেন এর মাধ্যমে নিয়মিত আয় করতে পারেন এবং নিজেদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, একটি হুইলচেয়ার একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের চলাচলের স্বাধীনতা বাড়াতে পারে। আর একটি ভ্যান একটি পরিবারের জীবিকার অবলম্বন হতে পারে। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহযোগিতা ও সহমর্মিতার পরিবেশ তৈরি করে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা গরিব ও এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।
হুইলচেয়ার ও ভ্যান বিতরণের মাধ্যমে একদিকে যেমন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের চলাচলে সহায়তা হবে, অন্যদিকে ভ্যান পাওয়া অসচ্ছল মানুষগুলো নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতায় ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।