বদলি হয়ে ঘুষের মহারাণী শর্মিঁষ্ঠার সদরে তদবির বাণিজ্য সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট 


নিউজ ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুলাই ২৭, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ন /
বদলি হয়ে ঘুষের মহারাণী শর্মিঁষ্ঠার সদরে তদবির বাণিজ্য সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট 

* সদর ভূমি অফিস ঘুষের অভয়ারণ্যে পরিনত।

* সদরে ঘুষের বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা।

* ফিংড়ী অফিস ফাঁকি সমিতির ঘরে কর্মযঙ্গ।

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুখে পড়ে থাকেন সবসময় মাক্স আর সেই মাক্সের আড়ালের লুকানো  রয়েছে ভয়ংকর ঘুষের চেহারা।বলছি সাতক্ষীরায় ভূমি জগতের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মাক্স লেডি শর্মিষ্ঠা সরকারের কথা। বহুল আলোচিত এই ঘুষের মহারণীর বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারির কারণেসদর ভূমি অফিস থেকে বদলি করা হয় ফিংড়ী ভূমি অফিসে। সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসে কর্মরত থাকাকালীন নামজারি, খাজনা দাখিলায় ছিল তার নিজের  তৈরি দালাল সিন্ডিকেট। প্রতিটা নামজারি জন্য শর্মিষ্ঠা পায় ২ হাজার টাকা, একটি রির্পোট প্রদানে পায় ২-৫ হাজার টাকা। ঝামেলা পূর্ণ জমিতে বাগিয়ে নেন লাখ টাকা। বকেয়া ঘুষের  টাকা তুলতে ফিংড়ী অফিসে না বসে এখন সদর ভূমি অফিসে সমিতি ঘরে বসে সদর দালালদের থেকে বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে। তার তৈরি সদরে দালাল সিন্ডিকেটের কারণে বিপাকে আছে সহকারী ভূমি কমিশনার বদরুদ্দোজা। বর্তমান কর্মরত নায়েব ফরদি হোসেন প্রশিক্ষণে থাকায় এ সুয়োগে কাজে লাগাচ্ছেন ঘুষের মহারাণী শর্মিষ্ঠা সরকার। শর্মিষ্ঠার হাতের ছোঁয়ায় ঘুষের অভয়ারণ্যে হিসাবে গড়ে উঠেছিল তার দায়িত্বরত বর্তমান ও পূর্বের কর্মস্থলগুলো। তিনি সরাসরি টাকা নেননা  যেন ধরি মাছ না ছুই পানি।  প্রতিটা নামজারির ঘুষের ১০০০ টাকা কেস নং দিয়ে  নিজস্ব ডায়রিতে লিখে রাখে যেন ভাগে কম না পড়ে । সদর ভূমি অফিসে জমির নামজারি কাজ করা ঝুটিতলার এক ব্যক্তি বলেন, শর্মিষ্ঠা সদরে থাকতে ভূমি অফিস ঘুষ ছাড়া ফাইল ছাড়ত না। প্রতিটা নামজারির জন্য দিতে হত ২ হাজার টাকা। একটু ক্রুটি থাকলে বাড়তি টাকা দিতে হত। আমার কাছে কিছু ফাইলের টাকা ছিল বকেয়া সমিতি ঘরে ডেকে  এখন চাপ দিচ্ছে টাকার জন্য। গতকালও এসেছিল সমিতির ঘরে ডেকে বকেয়া পাওনা টাকার জন্য।জমির নামজারি করতে আসা পলাশপোলের জিয়া বলেন, নামজারি করতে এসে দেখা শর্মিঁষ্ঠার সাথে। কয়েকজন সেবাগ্রহীতাকে বলছে সদর নামজারি আমি করে দিব ফরিদ ছুটিতে বিষয়টা আমি  দেখছি।  একজনের নাম্বার দিচ্ছি তার দিয়ে অনালইন করান। তার কাছে নামজারির জন্য ৬ হাজার টাকা দিলে দুই অফিস থেকে আমি ফাইল ছাড়িয়ে দিব। সদরের ঘুষের টাকা শর্মিঁষ্ঠার জিহৃবায় লেগে আছে ভূলতে পারছে না। ঘুষের কেলেংকারী শাস্তির পরও থৃছে সে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।অভিযুক্ত ঘুষ কেলেঙ্কারির জড়িত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শমিষ্ঠা সরকার বলেন,আমি দালাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করিনা। আমি ফিংড়ী অফিসে অফিস করি। সদর সমিতি অফিসে আমার পুরানো লোকজন সাথে কথা বলছি। কিছু কাজ ছিল সেগুলো সমাধান করছি।