
মোমিনুর রহমান সবুজ: খাবার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কুলবাগানে নিয়ে মুখ ও চোখ বেধে আট বছর বয়সী প্রথম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রফিকুল ইসলাম(৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শনিবার ৩১শে অক্টোবর সকাল সাড়ে আট ঘটিকার সময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের গোবিন্দকাটি গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষক রফিকুল ইসলাম একই এলাকার প্রতিবেশী আনিস উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে কুলবাগানে নিয়ে শিশুটির মুখ ও চোখ কাপড় দিয়ে বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। এ সময় অভিযুক্তের বড় স্ত্রী সহ কয়েকজন মহিলা ঘটনাটি দেখতে পায়। উদ্ধার করে ভিকটিম শিশুটিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভিকটিম স্কুল ছাত্রীর মা-বাবা জানান, “মেয়েকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ীর পাশের এক কুলবাগানে নিয়ে প্রতিবেশী রফিকুল অনৈতিক কাজ করেছে। আমরা গরীব মানুষ। আমার মেয়ের সাথে যা ঘটেছে ঐ লম্পটের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই।” তবে ধর্ষণ চেষ্টার বিষয়টি অভিযুক্ত ধর্ষক রফিকুল ইসলাম অস্বীকার করে বলেন, কিছু মহিলা গিয়ে আমাকে সন্দেহজনকভাবে ধরেছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি এলাকায় শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার এবং এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবিও জানান তারা।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত রফিকুলকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদি হয়ে অভিযুক্ত রফিকুলের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি ধর্ষনের মামলা দায়ের করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :