
মোমিনুর রহমান সবুজ: সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল বিভাগের প্রধান সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম এর বিরুদ্ধে আবারো বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে একা ডেকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার ৫ই অক্টোবর সকালে অভিযোগের বিষয়টি জানাজানি হলে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়রা বিদ্যালয়ে জড়ো হন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়। এ শিক্ষক এর আগেও কয়েকবার একই অপরাধে সালিশি ও মুচলেকায় রক্ষা পায়।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, “গত বৃহস্পতিবার সকালে ওই স্কুল ছাত্রী অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। এ সময় সেখানে অন্য কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে কুপ্রস্তাব দেন।পরবর্তীতে অভিযুক্ত শিক্ষক ওই ছাত্রীকে ফোন করে তার বাড়িতে এসে সময় দিলে পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখান।”
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতে সহকারী প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেন বলেন, “আজ সকালে বিষয়টি শুনেছি। এরপর সঙ্গে সঙ্গে প্রধান শিক্ষককে ফোন করে বিষয়টি জানাই। পরে কিছু অভিভাবক ও স্থানীয়রা বিদ্যালয়ে জড়ো হলে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়।” ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে কল দিলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। তবে আমার কাছে এখনো পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলেই ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।” এদিকে শিক্ষাঙ্গনে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি অভিভাবকরা।
আপনার মতামত লিখুন :