এমপি ইজ্জত উল্লাহর উদ্যোগে আলো দেখছে কলারোয়ার ‘দেয়াড়া-ত্রিমোহনী ব্রিজ’
News Desk (S)
প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ন /
০
কলারোয়া প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা ও যশোর জেলার সীমান্ত সংযোগস্থল কলারোয়া এবং কেশবপুর উপজেলার সীমানায় বহুল কাঙ্ক্ষিত ‘দেয়াড়া-ত্রিমোহনী ব্রিজ’ নির্মাণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে গতি পেয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর জোরালো উদ্যোগ ও জনস্বার্থমূলক আবেদনের প্রেক্ষিতে সেতুটি নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
চিঠি সূত্রে জানা গেছে, কলারোয়া উপজেলার সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও দীর্ঘদিনের জনভোগান্তি নিরসনে দেয়াড়া-ত্রিমোহনী এলাকায় সেতু নির্মাণের যৌক্তিকতা তুলে ধরে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী বরাবর আধা-সরকারি পত্র (ডি.ও. নম্বর: ১০৫-সাতক্ষীরা-১/২০২৬/(৪৮)) প্রদান করেন সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। সংসদ সদস্যের উক্ত আবেদনের গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘মাননীয় সংসদ সদস্যগণের প্রতিশ্রুত ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল’-এর সদস্য সচিব ও প্রোটকল অফিসার-১ মোঃ উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে কলারোয়া ত্রিমোহনী ব্রিজ নির্মাণের ডিওপত্র অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন কার্যালয়ে প্রেরণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠির অনুলিপি অবগতি ও দ্রুত কার্যকরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরার কলারোয়া ও যশোরের কেশবপুর উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত এই ‘দেয়াড়া-ত্রিমোহনী ব্রিজটি নির্মিত হলে দুই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। জরুরি মুহূর্তে দ্রুত হাসপাতালে যাতায়াত, উন্নত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ, আইনি বা প্রশাসনিক সংকট নিরসন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের আদান-প্রদান সহজ ও সময়সাশ্রয়ী হয়ে উঠবে।
সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর কার্যকর পদক্ষেপের ফলে স্বপ্নের ত্রিমোহনী ব্রিজ নির্মাণের পথ সুগম হওয়ায় কলারোয়া ও কেশবপুর অঞ্চলের মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, সেতুটি নির্মিত হলে অবহেলিত এই সীমান্ত অঞ্চলে কৃষি ও অর্থনৈতিক খাতে এক নতুন বিপ্লব ঘটাবে।
আপনার মতামত লিখুন :