
আব্দুল্লাহ আল মামুনঃ দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের টিকেট গ্রামে বৃদ্ধার ৫০ বছরের বসতকৃত বসতভিটা স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে জোর পূবক দখলের অভিযোগ উঠেছে,স্থানীয় অরবিন্দুর স্ত্রী সুভদ্রা এখন খোলা আকাশের নিচে মানবতার জীবন যাপন করছে বলে সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে,সুভদ্রা বলেন আমি এই জায়গা তে আমার বিয়ের পর থেকে বসবাস করছি সেটি হবে প্রায় ৫০ বছর এর মতো, আমার স্বামী অসুস্থ সে ভারতে চিকিৎসাধীন আছে, আমি কিছু দিন সেখানে থাকি কিছু দেশে থাকি, গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে মেয়ের বাড়িতে অবস্থান কালে আমার একই এলকার তারক, দুঃখে, রাখাল বৌদ্দি, রঞ্জন বৌদ্দিসহ অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজন জোর পূর্বক আমার বসতি ভিটা ভাংচুর করে তারা ঘর নির্মান করে।আমি থানায় অভিযোগ দিলে দেবহাটা থানার এসআই আব্দুল হান্নান গত ৩১ শে জুলাই সরজমিনে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান, এবং ৭ই আগস্ট মীমাংসার জন্য উভায় পক্ষ থেকে দেবহাটা থানা ডাকা হয়, এই সময় তারা আমার কাছে ৫ হাজার টাকা পাবে বলে দাবি করলে আমি সেখানে সবার সামনে তাদের কে টাকা প্ররিশোধ করে দেয়, এবং থানা থেকে কুলিয়া ইউনিয়নে ভরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ মন্ডল এর উপর মীমাংসার দায়িত্ব দেওয়া হয়, এবং বয়স্ক সুভদ্রা কে বসবার করার জন্য ছোট করে একটি ঘর নির্মাণ করার আদেশ দেওয়া হয়, কিন্তু ঘর নির্মাণ করতে গেলে তারা আবারও এসে ভাংচুর করে দেয়। পরবর্তী তে কুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব শেখ মোকাররম হোসেন ও কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ মন্ডল কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু তারা একদিন সরজমিন গিয়ে কোন সমাধান না দিয়ে চলে আসে,পবর্তীতে সুভাদ্রা দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহার কাছে অভিযোগ দিলে তিনি নায়েব কে মুঠোফোনে নির্দেশ দেন বৃদ্ধার জমি মেপে বের করে দেওয়ার জন্য, কিন্তু চেয়ারম্যান প্রভাষ জমি বের করে না দেওয়া জন্য নায়েব কে মুঠোফোন নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে বৃদ্ধা আরো বলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ মন্ডল অভিযুক্ত দের থেকে বড় অংকের টাকা নিয়েছে, যার জন্য তিনি আমার জমি বের না করার তাল বাহানা করছে। আমি স্থানীয় জন প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে আকুল আবেদন করি আমার জমি যেনো দ্রুত বের করে আমার বসবাস করার মতো একটা জায়গা করে দেওয়া হয়।
আপনার মতামত লিখুন :