
বর্তমান সাতক্ষীরা ডেস্ক : দুদকের অভিযানে দুর্নীতির প্রমাণ মেলার পরও থামছেন না সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মাসুমা সুলতানা। উল্টো নিজের দুর্নীতি ঢাকতে এখন ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ডকে।সম্প্রতি তাঁর দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হলে তিনি মো:আবু মুসা(৪৪)সাং:কুশখালী দম্ভের সাথে বলছেন , নিউজ করে আমার কিছুই ছিঁড়তে পারবে না। মাথার ওপর এসিল্যান্ড স্যারের হাত আছে, প্রতি মাসে তাকে মোটা অংকের টাকা পাঠিয়ে দেই।অনুসন্ধানে জানা যায়, দালাল সবুরের মাধ্যমে নামজারিতে ৭-৮ হাজার টাকা এবং সামান্য খাজনা আদায়েও কয়েকগুণ বেশি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন মাসুমা। সরকারি নিয়ম ভেঙে বেলা ১২টার আগে অফিসে আসেন না তিনি। সম্প্রতি খুলনা দুদক টিম অভিযান চালিয়ে তাঁর অফিসের দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পেলেও তিনি এখনো ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন।ভূমি নায়েব মাসুমা সুলতানার কাছে নিউজ করে কিছু ছিঁড়তে পারবে না এবং আমার মাথার উপর এসিল্যান্ড স্যারের হাত রয়েছে বিভিন্ন মহলে ও আবু মুসার সাথে বলার ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন হ্যাঁ বলেছি তাই কি করবেন। পারলে কিছু করে নিয়েন।এবিষয়ে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)(মোঃ বদরুদ্দোজা) কাছে ভুমি নায়েব মাসুমা সুলতানার এসব কথার ব্যাপারে জানতে চেয়ে তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করেননি। একজন অধস্তন কর্মকর্তা হয়ে সরাসরি এসিল্যান্ডের নামে ‘ঘুষ’ নেওয়ার দাবি করায় জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।এদিকে সাতক্ষীরার একাধিক নাগরিক নেতা বলছেন-প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী এই অসাধু কর্মকর্তার খুঁটির জোর কোথায়। তারা অবিলম্বে এই সিন্ডিকেট নির্মূলে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।ভুক্তভোগী কুশখালীবাসী বলেন”জনগণের সেবক হয়ে যারা প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্নীতির মহোৎসব চালায় এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে দম্ভোক্তি করে, তারা প্রশাসনের কলঙ্ক। তদন্তের নামে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত এই ‘লেডি নায়েব’ ও তাঁর দালাল চক্রকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষ ভূমি অফিসের ওপর থেকে চিরতরে আস্থা হারিয়ে ফেলবে।
আপনার মতামত লিখুন :