
কলারোয়া ( সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন ধরে স্বজনহীন অবস্থায় অন্যের বাড়ির পেছনে ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন নিঃস্ব মরিয়ম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতিবেদনের মাধ্যমে তাঁর এই চরম কষ্টের কথা জানতে পেরে এগিয়ে আসেন কলারোয়া উপজেলার মানবিক নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব আরিফুল ইসলাম। তাঁর সহায়তায় তৈরি করে দেওয়া হয়েছে একটি নতুন টিনের ঘর, একটি টয়লেট ঘর, একটি গভীর নলকূপ এবং ক্রয় করে দেওয়া হয়েছে একটি ঘরে বসবাসের সকল আসবাব পত্র,বিছানা পত্র ও খাদ্য দ্রব্য।
পূর্বে অত্যন্ত জীর্ণ ও অমানবিক পরিবেশে দিনাতিপাত করতেন মরিয়ম বেগম। তাঁর দেখাশোনার জন্য কোনো সন্তান বা নিকটাত্মীয় ছিল না। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং সাংবাদিক জাহিদ সহ অন্যান্য সাংবাদিকদের খবরের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। খবরটি নজরে আসার পর সরেজমিনে পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আরিফুল ইসলাম ।
পরবর্তীতে প্রায় দেড় মাসের প্রচেষ্টায় মরিয়ম বেগমের জন্য একটি নতুন ঘর নির্মাণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আরিফুল ইসলাম জানান, “যদিও জায়গা স্বল্পতার কারণে খুব বড় পরিসরে কিছু করা সম্ভব হয়নি, তবুও আগের অমানবিক ঝুপড়ি ঘরের তুলনায় এটি একটি উন্নত ও নিরাপদ বাসস্থান। এই মানবিক কাজে যারা নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন, তদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা”।
তার ভাইপোর বাসায় ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করতেন।ভাইপো একজন ভ্যান চালক দিন আনে দিন খাই কোন রকম দিন অতিবাহিত কনে। ভাইপো কবির ইউনো স্যারে অনুদান পেয়ে স্যারকে ধন্যবাদ জানান।
সামান্য সহানুভূতি কীভাবে একজন অসহায় মানুষের জীবনের চিত্র বদলে দিতে পারে, মরিয়ম বেগমের এই নতুন ঠিকানা, তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত!
আপনার মতামত লিখুন :